কাঠামোগত ঝুঁকি ও জ্বালানি সহনশীলতার পথরেখা
ইফতেখার রহমান
ভারড্যান্ট গ্লোবাল
কাতারএনার্জির তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে বিঘ্ন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে এবং দেশের জ্বালানি সহনশীলতা জোরদারে কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন, এই নিবন্ধে তার বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে।
বর্তমান সংকট স্পষ্ট করে দিয়েছে, আমদানিকৃত এলএনজির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এবং নিশ্চিত জ্বালানি সরবরাহ ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ধরে রাখার উচ্চ ব্যয় দেশের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজন স্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়া এবং পরিকল্পিত গ্যাস বণ্টন। মধ্যমেয়াদে সরবরাহের উৎস বৈচিত্র্যময় করা ও দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো জরুরি। আর দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে শক্তিশালী সুশাসন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে।
কাতারএনার্জির এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন এখন আর কেবল বৈদেশিক ক্রয়সংক্রান্ত সমস্যা নয়। এর প্রভাব বাংলাদেশের শিল্প, সরকারি অর্থব্যবস্থা, কৃষি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ছড়িয়ে পড়ছে। প্রয়োজনে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হতে পারে, কিন্তু তা কখনোই একটি সুসংহত জ্বালানি নিরাপত্তা কৌশলের বিকল্প হতে পারে না।
সরবরাহ ব্যাহত হওয়া থেকে কাঠামোগত সংকট
বাংলাদেশে এলএনজির সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী দেশ কাতার। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের মোট প্রায় ৭০ লাখ টন এলএনজি আমদানির মধ্যে প্রায় ৪৩ লাখ টন এসেছে কাতারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত দুটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায়। এর একটি চুক্তির মাধ্যমে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন এলএনজি সরবরাহ করা হয়। অন্যদিকে ১৫ বছর মেয়াদি দ্বিতীয় চুক্তি অনুযায়ী ২০২৬ সাল থেকে বছরে আরও প্রায় ১৮ লাখ টন এলএনজি সরবরাহের কথা ছিল।¹²
আঞ্চলিক সংঘাত তীব্র হওয়ার পর কাতারএনার্জি ‘ফোর্স মাজ্যুর’ ঘোষণা করে। পরবর্তী হামলায় রাস লাফানের দুটি উৎপাদন ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এর ফলে কাতারের মোট রপ্তানি সক্ষমতার প্রায় ১৭ শতাংশ কমে যায়। কাতারএনার্জি জানিয়েছে, উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।³
হরমুজ প্রণালিতে সাময়িক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার সঙ্গে এই পরিস্থিতির মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। কারণ, তরলীকরণ স্থাপনার ক্ষতি দীর্ঘ সময় ধরে উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত করে রাখতে পারে। পেট্রোবাংলার ধারণা, ২০২৬ সালে কাতার থেকে বাংলাদেশের নির্ধারিত এলএনজি সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে আসতে পারে। বাংলাদেশসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজির চালান কিনেছে কাতারএনার্জি। তবে সেই পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত উৎপাদনের পুরো ঘাটতি পূরণে যথেষ্ট নয়।⁴
অতএব, প্রশ্ন কাতার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার থাকবে কি না, তা নয়। মূল প্রশ্ন হলো, একটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কি একটি মাত্র সরবরাহকারী, একটি উৎপাদনকেন্দ্র এবং একটি নৌপথের ওপর এতটা নির্ভরশীল থাকা উচিত?
শিল্প, রাজস্ব ও খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকি
আমদানিকৃত এলএনজি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি গ্যাসনির্ভর শিল্প, যেমন বস্ত্র, তৈরি পোশাক, সিরামিক, ইস্পাত ও সার শিল্পের প্রধান জ্বালানি। মার্চ মাসে বিকল্প এলএনজি চালান কিনতে প্রতি এমএমবিটিইউতে সর্বোচ্চ ২৮ দশমিক ২৮ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে, যেখানে জানুয়ারিতে একই জ্বালানির দাম ছিল প্রায় ১০ ডলার।⁵ অন্যদিকে গ্যাসের নিম্নচাপ এবং ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে কারখানার যন্ত্রপাতি পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো সম্ভব হচ্ছে না। উৎপাদন সূচি ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রতি ইউনিট পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে।
২০২৬ সালের মার্চে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ কমে ৩ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৯ শতাংশেরও বেশি।⁶ অবশ্য জ্বালানি সংকটই এই পতনের একমাত্র কারণ নয়। তবে দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে দুর্বল করে এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ভবিষ্যতে বিকল্প সরবরাহকারীর দিকে ঝুঁকতে উৎসাহিত করতে পারে।
এই সংকট সরকারি অর্থব্যবস্থা এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপরও বড় চাপ সৃষ্টি করছে। ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ) ধারণা দিয়েছে, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুন প্রান্তিকে এলএনজি ভর্তুকির পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে জাতীয় জ্বালানি সরবরাহে আমদানিনির্ভর প্রাথমিক জ্বালানির অংশ ২০২০-২১ অর্থবছরের ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেড়ে ৬২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।⁷
টাকার অবমূল্যায়নের ফলে ডলারে পরিশোধযোগ্য জ্বালানি আমদানি এবং বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক দায় আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। একদিকে বাংলাদেশ প্রায় ৬১ দশমিক ৩ শতাংশ রিজার্ভ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ধরে রেখেছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ ঘাটতিও মোকাবিলা করছে।⁷ এর কারণ, স্থাপিত উৎপাদন সক্ষমতা আর বাস্তবে জ্বালানি নিশ্চিত করে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতার মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে। ফলে দেশকে একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ঘাটতি এবং অব্যবহৃত সক্ষমতা, উভয়েরই আর্থিক বোঝা বহন করতে হচ্ছে।
বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা স্বল্পমেয়াদে তারল্য সংকট সামাল দিতে পারে। কিন্তু নিয়মিত জ্বালানি আমদানির ব্যয় মেটাতে ধার করা এই কাঠামোগত অদক্ষতার কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।⁸ কৃষিখাতও এই সংকটের বাইরে নয়। মার্চ মাসে গ্যাস অন্য খাতে সরিয়ে দেওয়ায় দেশের ছয়টি প্রধান ইউরিয়া কারখানার মধ্যে পাঁচটিই বন্ধ ছিল বলে জানা যায়।⁹ ফলে একদিকে উৎপাদন সক্ষমতা অলস পড়ে থাকে, অন্যদিকে বিদেশ থেকে সার আমদানিতে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়।
সারের প্রাপ্যতা সরাসরি কৃষি উৎপাদন, খাদ্যের দাম এবং গ্রামীণ আয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই সার উৎপাদনকে কেবল একটি শিল্পখাত হিসেবে নয়, জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তার অবকাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
তিন পর্যায়ের প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা
তাৎক্ষণিক স্থিতিশীলতা
তাৎক্ষণিকভাবে জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে হলে অগ্রাধিকার দিতে হবে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ, রপ্তানিমুখী শিল্প এবং সার উৎপাদনকে। স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক, স্বচ্ছ এবং কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বিত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। কোথাও সরবরাহ সীমিত করার প্রয়োজন হলে পূর্বনির্ধারিত ও নির্ভরযোগ্য সময়সূচি কারখানাগুলোকে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করবে।
বাংলাদেশের উচিত একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলের একাধিক সরবরাহকারীর সঙ্গে আলোচনা বাড়ানো। একটি প্রধান উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে গিয়ে যেন আরেকটি একক উৎসের ওপর নতুন করে নির্ভরশীলতা তৈরি না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
মধ্যমেয়াদি বৈচিত্র্যকরণ
মধ্যমেয়াদে ভবিষ্যতের এলএনজি চুক্তি মূল্য বিবেচনার পাশাপাশি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে গন্তব্য পরিবর্তনের নমনীয়তা, জরুরি পরিস্থিতিতে চুক্তির সুরক্ষা, জাহাজ পরিবহন ঝুঁকি এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিকল্প চালান সরবরাহ করতে কতটা সক্ষম।
নতুন চুক্তি অনুমোদনের ক্ষেত্রে নিয়মিত ঝুঁকি যাচাই বা স্ট্রেস টেস্টিং প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানকে আবারও জ্বালানি নীতির কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনতে হবে। ২০২৬ সালের অফশোর বিডিং রাউন্ডে সংশোধিত উৎপাদন অংশীদারিত্ব চুক্তির আওতায় বঙ্গোপসাগরে ২৬টি ব্লক অনুসন্ধানের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।¹⁰
গ্যাস অনুসন্ধান বর্তমান সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধান দিতে পারবে না। তবে দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান কার্যক্রম পিছিয়ে দিলে আমদানিনির্ভরতা আরও বাড়বে। সফলতার জন্য প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য ভূতাত্ত্বিক তথ্য, স্থিতিশীল চুক্তি কাঠামো, স্বচ্ছ অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা।
দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাগত সংস্কার
দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের লক্ষ্য হওয়া উচিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যেন আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে পড়ে। মাতারবাড়ীসহ নতুন এলএনজি অবকাঠামো নির্মাণের আগে ব্যয় সক্ষমতা, ভবিষ্যৎ চাহিদা এবং পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে কঠোর মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
আমদানি সক্ষমতার নমনীয়তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও নতুন টার্মিনাল দীর্ঘমেয়াদে ডলারে পরিশোধযোগ্য আর্থিক দায় তৈরি করতে পারে।
জ্বালানির মূল্য ওঠানামার ঝুঁকি মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা ব্যবস্থা হতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৫৫৯ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২৬৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ।¹¹
গ্রিড সংযুক্ত ৪৯৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের দরপত্র ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজন আর্থিকভাবে গ্রহণযোগ্য বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি, নির্ভরযোগ্য গ্রিড সংযোগ এবং প্রতিযোগিতামূলক অর্থায়ন ব্যবস্থা।¹²
শিল্পকারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন এবং জ্বালানি দক্ষতার মানদণ্ড শক্তিশালী করা হলে বড় অবকাঠামো প্রকল্পের তুলনায় দ্রুত দিনের বেলার গ্যাসের চাহিদা কমানো সম্ভব হতে পারে।
সুশাসনের পরীক্ষা
কাতারএনার্জির সরবরাহ সংকট শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য একটি সুশাসনের পরীক্ষা। সাফল্য শুধু বিকল্প এলএনজি চালান সংগ্রহের মাধ্যমে পরিমাপ করা যাবে না। বরং মূল্যায়নের বিষয় হওয়া উচিত স্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়া, ভর্তুকির তথ্য প্রকাশ, সক্ষমতা অর্থপ্রদানের যথাযথ পর্যালোচনা, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি এবং জ্বালানি, শিল্প, কৃষি ও রাজস্ব নীতির মধ্যে কার্যকর সমন্বয়।
গ্যাস ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে এটি যেন একমাত্র নির্ভরতার ভিত্তি না হয়ে একটি বৈচিত্র্যময় জ্বালানি ব্যবস্থার একটি অংশ হিসেবে থাকে। দেশীয় উৎপাদন কমে যাওয়া এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ধীর সম্প্রসারণের ফলে সৃষ্ট ঘাটতি পূরণের একমাত্র উপায় হিসেবে গ্যাসকে ব্যবহার করা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না।
বাংলাদেশ যদি এই সংকটকে কাজে লাগিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আনে, গ্যাস অনুসন্ধান পুনরুজ্জীবিত করে, জ্বালানি দক্ষতা বাড়ায় এবং সুশাসন শক্তিশালী করে, তাহলে আরও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলা সম্ভব।
জ্বালানি নিরাপত্তা কেবল স্থাপিত মেগাওয়াট সক্ষমতা বা স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। প্রকৃত জ্বালানি নিরাপত্তা নির্ভর করে সাধারণ মানুষ, কৃষি এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো এমন নির্ভরযোগ্য জ্বালানি পাচ্ছে কি না, যার মূল্য দেশের অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে বহন করতে সক্ষম।
তথ্যসূত্র
1. Ruma Paul and Emily Chow, ‘QatarEnergy halves 2026 scheduled deliveries of LNG to Bangladesh, Petrobangla says’, Reuters, 6 July 2026, available at https://www.reuters.com/business/energy/qatarenergy-halves-2026-scheduled-deliveries-lng-bangladesh-says-petrobangla-2026-07-06/.
2. QatarEnergy, Annual Review 2023 (Doha, 2024), p. 33, available at https://www.qatarenergy.qa/en/MediaCenter/Publications/QatarEnergy%20Annual%20Review%202023.pdf.
3. ‘Iran attacks wipe out 17% of Qatar’s LNG capacity for up to five years, QatarEnergy CEO says’, Reuters, 19 March 2026, available at https://www.reuters.com/business/energy/iran-attack-damage-wipes-out-17-qatars-lng-capacity-three-five-years-qatarenergy-2026-03-19/.
4. Marwa Rashad, Emily Chow and Stephanie Kelly, ‘QatarEnergy buys 33 US LNG cargoes to offset Hormuz disruption, sources say’, Reuters, 30 July 2026, available at https://www.reuters.com/business/energy/qatarenergy-buys-33-us-lng-cargoes-offset-hormuz-disruption-sources-say-2026-07-30/.
5. ‘Bangladesh faces steep rise in LNG prices after Qatar supply halt’, Reuters, 6 March 2026, available at https://www.reuters.com/business/energy/bangladesh-faces-steep-rise-lng-prices-after-qatar-supply-halt-2026-03-06/.
6. Star Business Report, ‘Bangladesh’s exports fall for eighth consecutive month’, The Daily Star, 2 April 2026, available at https://www.thedailystar.net/business/news/bangladeshs-exports-fall-eighth-consecutive-month-4141921.
7. Shafiqul Alam, Fostering Bangladesh’s Energy Transition, Institute for Energy Economics and Financial Analysis, 6 May 2026, available at https://ieefa.org/resources/fostering-bangladeshs-energy-transition.
8. Ruma Paul, ‘Bangladesh eyes more than US$2 billion in fresh funds to mitigate fuel, LNG crisis’, Reuters, 20 March 2026, available at https://www.reuters.com/business/energy/bangladesh-eyes-more-than-2-billion-fresh-funds-mitigate-fuel-lng-crisis-2026-03-20/.
9. Mohammad Suman, ‘Gas crisis shuts down five of six major urea fertiliser plants’, The Daily Star, 5 March 2026, available at https://www.thedailystar.net/environment/natural-resources/energy/news/gas-crisis-shuts-down-5-6-major-urea-fertiliser-plants-4121571.
10. Ruma Paul, ‘Bangladesh offers sweetened terms in offshore tender to tackle energy crunch’, Reuters, 24 May 2026, available at https://www.reuters.com/business/energy/bangladesh-offers-sweetened-terms-offshore-tender-tackle-energy-crunch-2026-05-24/.
11. Bangladesh Investment Development Authority, ‘Renewable Energy Investment’, 2026, available at https://bida.gov.bd/investment-sector/renewable-energy.
12. Ruma Paul, ‘Bangladesh turns to solar as Middle East crisis drives energy risks’, Reuters, 6 May 2026, available at https://www.reuters.com/business/energy/bangladesh-turns-solar-middle-east-crisis-drives-energy-risks-2026-05-06/
