ফারাহ জেহির
সম্পাদক, অনিকেত রিসার্চ গ্রুপ
এই নিবন্ধে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান নির্মাণে সীমিত অঙ্গীকারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এবং জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশ্বের সম্মানিত জনস্বার্থমূলক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে জ্ঞান, ঐতিহ্য ও বৈজ্ঞানিক সচেতনতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার উপায় চিহ্নিত করা হয়েছে।
গণমাধ্যম একটি দেশের নাগরিকদের নিজ দেশ সম্পর্কে ধারণা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশে টেলিভিশন, সংবাদপত্র এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো রাজনীতি, অপরাধ, দুর্যোগ ও স্বল্প ব্যয়ের বিনোদনমূলক কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে, অথচ সুগবেষিত শিক্ষামূলক তথ্যচিত্র ও দীর্ঘমেয়াদি জ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প উপেক্ষিত থেকে যায়। ফলে সচেতন নাগরিকত্ব, জাতীয় গর্ববোধ এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতূহল গড়ে তোলার সুযোগগুলো অনুন্নত থেকে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যমে শিক্ষামূলক তথ্যচিত্র এখনও অগ্রাধিকারের তালিকায় পিছিয়ে। ইতিহাস, ভূগোল, জীববৈচিত্র্য, বিজ্ঞান, সাহিত্য, ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিয়ে অনুষ্ঠান তৈরি হয় বটে, তবে তা মূলত জাতীয় দিবস উপলক্ষে, ধারাবাহিক সম্পাদকীয় পরিকল্পনার আওতায় নয়। গণমাধ্যম ও দেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতাও এখনও সীমিত।
আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যমগুলোর অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে ইতিহাস, প্রকৃতি, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পায়, একই সঙ্গে তা জনশিক্ষা ও জাতীয় পরিচয়কে শক্তিশালী করে। বাংলাদেশেরও উচিত এই দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা।
বাংলাদেশি গণমাধ্যমের বর্তমান অগ্রাধিকার
এ দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর বেশিরভাগ সময় দখল করে থাকে ব্রেকিং নিউজ, অপরাধের খবর এবং রাজনৈতিক টকশো। এসব অনুষ্ঠানের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্যের কারণে মানুষের জ্ঞান ও বোধের পরিধি বাড়াতে পারে এমন অনুষ্ঠানের স্থান সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
বাকি সময়টুকুতে চলে বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান, যা মূলত সম্প্রচার সূচি পূরণ করার জন্যই তৈরি হয়; এতে সাংস্কৃতিক উৎকর্ষতা অর্জনের প্রয়াস খুব একটা থাকে না। বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ভূগোল, জীববৈচিত্র্য, বিজ্ঞান কিংবা শিক্ষামূলক তথ্যচিত্রের মতো বিষয়গুলো এখানে নেই বললেই চলে।
সংবাদপত্রগুলোর ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। স্বাধীনতা দিবসের মতো বিশেষ দিনগুলোতে অনেক পত্রিকা বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করলেও ঐতিহ্য, বিজ্ঞান কিংবা মানবিক শাখাসমূহ নিয়ে নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদি লেখার আয়োজন খুব একটা চোখে পড়ে না। ফলে গণমাধ্যম মানুষকে দৈনন্দিন খবরের সাথে যুক্ত রাখলেও দেশের সমৃদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের গভীরে নিয়ে যেতে পারছে না।
জাতীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে এক বড় অপচয়
বাংলাদেশের রয়েছে চমৎকার সব জ্ঞানভিত্তিক উপাদান, যা আমাদের মূলধারার গণমাধ্যমে বরাবরই উপেক্ষিত রয়ে গেছে। এ দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, নদীপথ, হাওর ও বাঁওড়, নৃগোষ্ঠীসমূহের সংস্কৃতি, স্থাপত্যশৈলী, বিজ্ঞানমনস্ক অর্জন, জীববৈচিত্র্য এবং ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়গুলো তথ্যচিত্র নির্মাণের দুর্দান্ত উপকরণ হতে পারে। এগুলো সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসাও বাড়িয়ে দেবে।
তরুণ প্রজন্ম এখন বই পড়ার চেয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দৃশ্যমান বিষয়বস্তু উপভোগ করতে বেশি পছন্দ করে। পাঠ্যপুস্তকের জটিল বিষয়গুলোকে সহজ এবং আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার জন্য তথ্যচিত্র অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম। তাই শিক্ষামূলক গণমাধ্যমের অনুপস্থিতি আমাদের তরুণদের মাঝে কৌতূহল, যৌক্তিক চিন্তাভাবনা এবং সুনাগরিকের গুণাবলি গড়ে তোলার এক সুবর্ণ সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে।
জাতীয় জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সীমিত প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা
বাংলাদেশে সাহিত্য, বিজ্ঞান ও শিল্পকলার প্রসারে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বাংলা একাডেমি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জাদুঘর এবং বিশেষায়িত গবেষণা কেন্দ্রগুলোর কাছে রয়েছে গভীর ও সমৃদ্ধ জ্ঞানভাণ্ডার।
এত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আমাদের মূলধারার গণমাধ্যমের সাথে এসব প্রতিষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট কোনো অংশীদারিত্ব গড়ে ওঠেনি। যৌথ উদ্যোগে তথ্যচিত্র নির্মাণ, ঐতিহাসিক অনুসন্ধান কিংবা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের মতো কাজগুলো সাধারণ মানুষের বোঝাপড়াকে যেমন সমৃদ্ধ করতে পারে, তেমনি প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণাকে জনপ্রিয় করে তুলতে পারে।
এ ধরনের উদ্যোগের ফলে বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ কিংবা গবেষকেরা তাদের কাজগুলোকে কেবল গবেষণাপত্র বা প্রাতিষ্ঠানিক সেমিনারে সীমাবদ্ধ না রেখে চমৎকার দৃশ্যমান গল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারবেন।
আন্তর্জাতিক জনকল্যাণমুখী গণমাধ্যম থেকে শিক্ষা
বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমগুলো প্রমাণ করেছে যে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানও একটি দেশের প্রচারমাধ্যমের মূল চালিকাশক্তি হতে পারে। বিবিসি বিশ্বজুড়ে সুনাম কুড়িয়েছে তাদের উচ্চমানের ইতিহাস, বিজ্ঞান, বন্যপ্রাণী এবং সমাজ সংস্কার বিষয়ক তথ্যচিত্রের মাধ্যমে। এই আয়োজনগুলো যেমন তাদের দেশের মানুষকে সচেতন করছে, তেমনি বহির্বিশ্বে ব্রিটেনের বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবমূর্তিও তুলে ধরছে।
একইভাবে, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক বন্যপ্রাণী, রোমাঞ্চকর অভিযান, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব সভ্যতার বিবর্তনকে চমৎকার ভিজ্যুয়াল গল্পে রূপান্তর করেছে। তাদের প্রাকৃতিক ইতিহাসবিষয়ক তথ্যচিত্র প্রমাণ করে যে শিক্ষামূলক কন্টেন্টও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে সফল হতে পারে।
এসব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান তথ্যচিত্রকে কেবল একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান মনে করে না, বরং জ্ঞান অর্জন, বিজ্ঞানমনস্কতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে। বাংলাদেশকেও এখান থেকে একটি বড় পাঠ নিতে হবে যে শিক্ষামূলক গণমাধ্যম কোনো সাময়িক বিষয় নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের এক অপরিহার্য জনসেবামূলক খাত।
জ্ঞানের আলোয় জাতীয় গৌরব ও সচেতনতা বৃদ্ধি
নিজের দেশের সাফল্য ও ঐতিহ্যকে গভীরভাবে জানার মাধ্যমেই জাতীয় গৌরব বৃদ্ধি পায়। সুন্দরবন, জলমগ্ন বদ্বীপ, ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প, বিজ্ঞানের নিত্যনতুন উদ্ভাবন, প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার এবং বৈরী আবহাওয়ার বিরুদ্ধে টিকে থাকার লড়াই নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্রগুলো এ দেশের অপার বৈচিত্র্য সম্পর্কে আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
তরুণরা যখন নিয়মিত এমন সমৃদ্ধ বিষয়ের সংস্পর্শে আসে, তখন তাদের হৃদয়ে দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ভালোবাসার জন্ম হয়। তারা সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখে এবং পূর্বসূরিদের অবদানের মূল্যায়ন করতে পারে। সংক্ষেপে, শিক্ষামূলক গণমাধ্যম কেবল জ্ঞান বাড়ায় না, তরুণদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য রক্ষা করে।
বাংলাদেশি গণমাধ্যমের জন্য নতুন রূপকল্প
বাংলাদেশে মানসম্মত শিক্ষামূলক কন্টেন্ট তৈরির জন্য সম্পাদকীয় অগ্রাধিকারের জায়গায় বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে ইতিহাস ও বিজ্ঞানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি কাজের জন্য নিজস্ব গবেষণা ও তথ্যচিত্র নির্মাণ ইউনিট গঠন করতে হবে। সংবাদপত্রগুলোকেও কেবল বিশেষ দিনের আয়োজনেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিজ্ঞান ও গবেষণামূলক সাংবাদিকতায় নিয়মিত বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়, জাদুঘর, বাংলা একাডেমি এবং বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে গণমাধ্যমের যৌথ উদ্যোগে গবেষণামূলক কাজ পরিচালনা করা উচিত। সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যম এবং দক্ষ নির্মাতারা যৌথভাবে এমন বিষয়বস্তু তৈরি করতে পারেন যা একদিকে যেমন গবেষণালব্ধ তথ্যে সমৃদ্ধ হবে, অন্যদিকে হবে আকর্ষণীয়। বর্তমান তরুণ সমাজ যেহেতু টেলিভিশনের চেয়ে অনলাইনেই বেশি অভ্যস্ত, তাই সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এ তথ্যচিত্রগুলো সহজেই তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
সরকারের ভূমিকা: নীতিমালার ঘাটতি দূরীকরণ
এই বিশাল রূপকল্প বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হলো সরকারি নীতিমালার অভাব এবং শিক্ষামূলক কন্টেন্ট তৈরিতে কোনো আর্থিক প্রণোদনা না থাকা। বেসরকারি টেলিভিশনগুলো নিজেদের আয়ের তাগিদে বিনোদন কিংবা রগরগে খবরের দিকে ঝুঁকবেই; ঠিক এ জায়গাতেই সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে যেন জনকল্যাণমুখী অনুষ্ঠানগুলো অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকতে পারে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো বেসরকারি চ্যানেলগুলোর জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারে, যেখানে বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতির জন্য নির্দিষ্ট সময়ের কোটা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হবে।
এছাড়া আমাদের মূলধারার চলচ্চিত্রের জন্য যেভাবে সরকারি অনুদান দেওয়া হয়, তেমনি তথ্যচিত্রের জন্য একটি জাতীয় তহবিল গঠন করা যেতে পারে। এই অনুদান গবেষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং তরুণ নির্মাতাদের তাৎক্ষণিক বাণিজ্যিক লাভের চিন্তা বাদ দিয়ে সমাজমুখী কন্টেন্ট তৈরিতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
পাশাপাশি এ ধরণের তথ্যচিত্রগুলোকে যদি শিক্ষাক্রমের সাথে যুক্ত করা যায়, তবে এটি তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন সহায়ক হবে, তেমনি সামাজিকভাবেও বড় পরিবর্তন আনবে। কর ছাড়, সঠিক নির্দেশনা এবং রাষ্ট্রীয় সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া কেবল বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর নির্ভর করে এই পরিবর্তন আনা অসম্ভব। তাই সরকারকে অবশ্যই শিক্ষামূলক গণমাধ্যমকে দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রগতির এক মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
উপসংহার
বাংলাদেশের রয়েছে সমৃদ্ধ এক ইতিহাস, নদীমাতৃক পরিবেশ এবং গৌরবময় বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্য। কিন্তু মূলধারার গণমাধ্যমে এ অনন্য বিষয়গুলো বরাবরের মতোই আড়ালে রয়ে গেছে। মানসম্মত তথ্যচিত্র এবং দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের প্রসার ঘটানোর মাধ্যমে আমাদের দেশের গণমাধ্যমগুলো সাধারণ মানুষের জ্ঞানতৃষ্ণা মেটাতে, বিজ্ঞানমনস্কতা তৈরিতে এবং সর্বোপরি দেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখতে পারে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কাজের অভিজ্ঞতা আমাদের দেখায় যে শিক্ষামূলক গণমাধ্যমের পেছনে ব্যয় আসলে কোনো অপচয় নয়, বরং দেশের মানবসম্পদ ও সংস্কৃতির উন্নয়ন কল্পে এক সুদূরপ্রসারী ও বুদ্ধিদীপ্ত বিনিয়োগ। প্রতিদিনকার গতানুগতিক খবরের বাইরে গিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করতে এবং এক অনন্য জাতীয় চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সামনে এখন এক বিরাট সুযোগ অপেক্ষা করছে।
