ফারাহ জেহির
সম্পাদক, অনিকেত রিসার্চ গ্রুপ
এই লেখার উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশ সরকারের সদ্য ঘোষিত সেই পরিকল্পনার পর্যালোচনা করা, যার আওতায় প্রায় ১০ লাখ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষকে বিনামূল্যে ও ভর্তুকিযুক্ত ছানি অস্ত্রোপচারের সুযোগ দেওয়া হবে। প্রশ্ন হলো, এই উদ্যোগ কি দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনার মতো করে গড়ে তোলা হয়েছে, নাকি এটা শেষ পর্যন্ত একটি স্বল্পস্থায়ী রাজনৈতিক প্রদর্শনীতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে। ঘোষণার উপরিভাগের আকর্ষণ ছাড়িয়ে গিয়ে এই লেখা অর্থায়ন, সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতা নিয়ে কঠিন প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করেছে।
সংক্ষেপে বলা যায়, এই লেখায় যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে কর্মসূচির স্বল্পমেয়াদি সুফল যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এবং তা নিয়ে খুব একটা বিতর্কের অবকাশ নেই। প্রধানত প্রবীণ ও অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক ১০ লাখ মানুষের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেওয়ার সুস্পষ্ট মানবিক ও অর্থনৈতিক মূল্য আছে, এবং এর সঙ্গে যুক্ত ইন্ট্রাওকুলার লেন্সে কর হ্রাস এবং স্কুলপর্যায়ে দৃষ্টি পরীক্ষার সম্প্রসারণ এই উদ্যোগের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। তবে লেখায় কাঠামোগত দুর্বলতাও চিহ্নিত করা হয়েছে: ছানি একবার সমাধান হয়ে যাওয়ার মতো কোনো সমস্যা নয়, বরং বয়সজনিত একটি পুনরাবৃত্ত সমস্যা। স্থায়ী অর্থায়ন, পর্যাপ্ত অস্ত্রোপচার সক্ষমতা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্তি ছাড়া বর্তমান রাজনৈতিক মুহূর্ত পেরিয়ে গেলে এই কর্মসূচি ম্লান হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।
পরামর্শ হিসেবে লেখায় বলা হয়েছে, সরকারের উচিত এককালীন বরাদ্দের গণ্ডি পেরিয়ে একটি পুনরাবৃত্ত অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলা, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি অংশীদার এবং এনজিও-পরিচালিত ক্যাম্পের মধ্যে স্বচ্ছ সক্ষমতা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা, এবং চশমা ও লেন্সের এমন এক নির্ভরযোগ্য সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করা যা উদ্বোধনী ঘোষণার আয়ু ছাড়িয়ে টিকে থাকে। লেখার মতে, কেবল এমন প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনার মধ্য দিয়েই এই কর্মসূচির নৈতিক তাৎপর্য বাস্তব ও স্থায়ী ফলাফলে রূপান্তরিত হতে পারে।
মূল প্রতিবেদন
সরকারের প্রায় ১০ লাখ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষকে বিনামূল্যে ও ভর্তুকিযুক্ত ছানি অস্ত্রোপচারের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রথম দর্শনে বর্তমান প্রশাসনের ঘোষিত স্বাস্থ্যনীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম সুনির্দিষ্ট এক পদক্ষেপ বলে মনে হয়। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত এই উদ্যোগকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প হিসেবে তুলে ধরেছেন, যা একইসঙ্গে একটি অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য পদক্ষেপ এবং বৈশ্বিক চক্ষুস্বাস্থ্য শাসনব্যবস্থায় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান নেতৃত্বের ইঙ্গিতবাহী বলে বর্ণনা করা হয়েছে। তবু ঘোষণার প্রতিশ্রুতি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনার সক্ষমতার মধ্যে যে ব্যবধান রয়ে গেছে, তা একটি পরিচিত প্রবণতার দিকেই ইঙ্গিত করে: এমন এক নীতি, যা তাৎক্ষণিক দৃশ্যমানতার জন্য যতটা তৈরি, তার মুখোমুখি হতে যাওয়া কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য ততটা প্রস্তুত নয়।
স্বল্পমেয়াদি সুফল
এই কর্মসূচির সবচেয়ে তাৎক্ষণিক সুফল স্পষ্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের সবচেয়ে সাশ্রয়ী চিকিৎসাযোগ্য সমস্যাগুলোর একটি হলো ছানিজনিত অন্ধত্ব। সাধারণত আধা ঘণ্টারও কম সময়ের একটি অস্ত্রোপচার এমন একজন মানুষের কার্যকর দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে পারে, যিনি অন্যথায় প্রতিরোধযোগ্য প্রতিবন্ধিত্বের মধ্যে বেঁচে থাকতেন। প্রবীণ, গ্রামীণ ও অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক এই ১০ লাখ মানুষের জন্য দৃষ্টি ফিরে পাওয়া মানে সরাসরি আত্মনির্ভরতা পুনরুদ্ধার, পরিবারের ওপর নির্ভরতা হ্রাস, এবং অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদনশীল জীবনে ফিরে যাওয়া। অর্থনৈতিক হিসাব-নিকাশ এখানে সুস্পষ্ট: বড় পরিসরে ছানি চিকিৎসার সুফল অস্ত্রোপচারের ব্যয়কে বহুগুণে ছাড়িয়ে যায়।
কর্মসূচির সঙ্গে ঘোষিত ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের ওপর কর হ্রাস একটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ, যা প্রতিটি অস্ত্রোপচারের একক ব্যয় কমিয়ে ভর্তুকিভিত্তিক মডেলকে স্বল্পমেয়াদে আরও অর্থনৈতিকভাবে টেকসই করে তোলে। একই সঙ্গে এটি ইঙ্গিত দেয় যে সরকার বাণিজ্যনীতিকে স্বাস্থ্যনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে ইচ্ছুক, যে ধরনের সমন্বয় বাংলাদেশের অন্যত্র খণ্ডবিখণ্ড শাসনব্যবস্থায় প্রায়ই অনুপস্থিত থাকে।
গ্রামীণ এলাকায় বিশেষভাবে স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য দৃষ্টি পরীক্ষা ও চশমা বিতরণ কর্মসূচির পরিকল্পিত সম্প্রসারণ এই উদ্যোগের পরিধিকে শুধু অস্ত্রোপচারের বাইরে প্রতিরোধমূলক সেবার দিকেও নিয়ে যায়। যদি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এটি প্রতিসরণজনিত ত্রুটি ও প্রাথমিক অবস্থার সমস্যা আগেভাগেই শনাক্ত করতে পারে, যা ভবিষ্যতে অস্ত্রোপচার সেবার ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হবে। অ্যান্টিগুয়ার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের প্রথম গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ আয়োজন এবং জাতিসংঘে দৃষ্টিসংক্রান্ত প্রথম প্রস্তাব উত্থাপনের মতো কূটনৈতিক অর্জন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য শাসনব্যবস্থায় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করে, যা দাতা তহবিল ও কারিগরি সহযোগিতা আকৃষ্ট করে দেশীয় ব্যয়ের চাপ কিছুটা লাঘব করতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ
এই কর্মসূচিকে একবারের হস্তক্ষেপ হিসেবে না দেখে একটি পুনরাবৃত্ত দায়বদ্ধতা হিসেবে বিবেচনা করলেই কঠিনতর প্রশ্নগুলো সামনে আসে। ছানি এমন কোনো রোগ নয় যা একেবারে নির্মূল করা সম্ভব; এটা বয়সজনিত একটি ক্রমবর্ধমান অবস্থা। আজকের চিহ্নিত ১০ লাখ রোগী আগামী এক দশকের মধ্যে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বয়স্ক হতে থাকার সঙ্গে সঙ্গে সমান বা তার চেয়ে বড় আরেকটি রোগীগোষ্ঠী দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে। জমে থাকা রোগীর তালিকা সাফ করার জন্য তৈরি একটি কর্মসূচি এবং একটি ক্রমাগত প্রবাহ ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি কর্মসূচি কাঠামোগতভাবে ভিন্ন বিষয়, এবং বর্তমান ঘোষণায় এমন কোনো ইঙ্গিত নেই যে বাজেট পরিকল্পনায় এই পার্থক্যটি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
স্থায়ী অর্থায়ন কাঠামো ছাড়া, অর্থাৎ শুধু এককালীন বরাদ্দের ওপর নির্ভর করে, এই কর্মসূচি একটি প্রজন্মের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক মুহূর্ত ফুরিয়ে গেলে নীরবে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। অস্ত্রোপচার সক্ষমতার প্রশ্নও একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ১০ লাখ ছানি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করতে প্রয়োজন দক্ষ চক্ষু চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত নার্সিং জনবল, কার্যকর অপারেশন থিয়েটার এবং লেন্স ও অন্যান্য উপকরণের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ শৃঙ্খল। বাংলাদেশের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা, বিশেষত উপজেলা ও জেলা হাসপাতাল পর্যায়ে, ইতিমধ্যেই দীর্ঘদিনের জনবল সংকট ও সরঞ্জামের ঘাটতিতে ভুগছে।
এই বিপুল সংখ্যক অস্ত্রোপচার প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কীভাবে সম্পন্ন হবে, অর্থাৎ সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি অংশীদারত্ব, এনজিও-পরিচালিত অস্ত্রোপচার ক্যাম্প, নাকি এসবের কোনো সমন্বয়ের মাধ্যমে, তা ঘোষণায় স্পষ্ট করা হয়নি। প্রতিটি মডেলের সঙ্গে মান নিয়ন্ত্রণ, সেবার সমতা এবং ব্যয়সংক্রান্ত ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব জড়িত। উদাহরণস্বরূপ, অস্ত্রোপচার ক্যাম্পগুলো বড় সংখ্যায় সেবা দিতে পারলেও এদের জটিলতার হার তুলনামূলক বেশি বলে নথিভুক্ত রয়েছে এবং অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণের কোনো কার্যকর ব্যবস্থাও এখানে সাধারণত থাকে না।
স্কুলপর্যায়ে পরীক্ষা কার্যক্রম স্বাগত জানানোর মতো হলেও এর নিজস্ব টেকসইতার সমস্যাও রয়েছে। শিশুদের মধ্যে প্রতিসরণজনিত ত্রুটি শনাক্ত করা তুলনামূলক সহজ কাজ, কিন্তু একটি শিশুর বেড়ে ওঠার বছরগুলোতে বারবার চশমা সরবরাহ ও প্রতিস্থাপন করা সহজ নয়। সংশোধনমূলক লেন্স ও ফ্রেমের সরবরাহ শৃঙ্খল ছাড়া পরীক্ষা কার্যক্রম কেবল একটি রোগনির্ণয় প্রক্রিয়া হিসেবে থেকে যায়, যা থেকে কোনো চিকিৎসাগত ফলাফল আসে না।
সবশেষে, বাংলাদেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে এই কর্মসূচির সম্পর্ক এখনো অস্পষ্ট রয়ে গেছে। ছানি, যক্ষ্মা কিংবা মাতৃস্বাস্থ্য, যে কোনো একটি নির্দিষ্ট রোগকেন্দ্রিক উল্লম্ব কর্মসূচিরই একটি সুপরিচিত প্রবণতা হলো, তা সমান্তরাল কাঠামো তৈরি করে ফেলা, যা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে সম্পদ ও মনোযোগ সরিয়ে নেয়। জেলা হাসপাতালগুলোকে শক্তিশালী না করে যদি পৃথক অস্ত্রোপচার সক্ষমতা গড়ে তোলা হয়, যেখানে এই সেবা প্রদানের কথা মূলত জেলা হাসপাতালেরই, তাহলে এই কর্মসূচি নিজে যে বিভাজন দূর করার দাবি করছে, তা আরও গভীর করার ঝুঁকি তৈরি করে।
পরিধি সম্প্রসারণ
বাংলাদেশে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার প্রকৃত মাত্রা বিবেচনায় নিলে সরকারের ১০ লাখ মানুষকে লক্ষ্য নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত সীমা নয়, বরং একটি সূচনাবিন্দু হিসেবে দেখা উচিত। চিকিৎসাযোগ্য ছানিজনিত অন্ধত্বে আক্রান্ত প্রকৃত মানুষের সংখ্যা এই পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি বলেই ব্যাপকভাবে ধারণা করা হয়, যার অর্থ কর্মসূচি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলেও আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ এর আওতার বাইরে থেকে যেতে পারে। আরও বেশি মানুষকে সেবার আওতায় আনতে হলে সরকারকে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে মাঝে মাঝে সহযোগী হিসেবে না রেখে আনুষ্ঠানিক অংশীদার হিসেবে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করতে হবে। বেসরকারি হাসপাতাল ও চক্ষুসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ইতিমধ্যেই যে অস্ত্রোপচার অবকাঠামো রয়েছে, তা ভর্তুকিভিত্তিক অংশীদারত্ব মডেলের মাধ্যমে কাজে লাগানো গেলে সরকারি ব্যবস্থার ওপর চাপ অনেকটাই কমতে পারে।
গ্রামীণ চক্ষু শিবির পরিচালনা ও কমিউনিটি পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে দশকের পর দশক ধরে অভিজ্ঞ এনজিওগুলো প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন পৌঁছানোর সক্ষমতা ও আস্থা রাখে, যা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায়ই থাকে না। মান নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণের সুস্পষ্ট মানদণ্ড রেখে একটি সুসংগঠিত সহযোগিতা গড়ে তোলা গেলে রোগীর নিরাপত্তায় আপস না করেই কর্মসূচিকে বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার বাইরে সম্প্রসারিত করা সম্ভব। সরকার যদি নিজের অর্থায়ন ও নীতিগত সহায়তার সঙ্গে এসব অংশীদারের কার্যকর পরিসরকে যুক্ত করতে পারে, তাহলে প্রয়োজনীয় সব মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে, এবং দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার সুফল কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যার সীমায় আবদ্ধ না থেকে সেবাপ্রার্থী প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবে।
উপসংহার
১০ লাখ মানুষের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেওয়ার এই পরিকল্পনার নৈতিক ও বাস্তব যৌক্তিকতা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। কিন্তু নৈতিক স্বচ্ছতা প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনার বিকল্প হতে পারে না। একটি পুনরাবৃত্ত অর্থায়ন মডেল, স্বচ্ছ সক্ষমতা পরিকল্পনা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংযুক্তি এবং উদ্বোধনী ঘোষণার আয়ু ছাড়িয়ে টিকে থাকার মতো সরবরাহ শৃঙ্খল ছাড়া এই কর্মসূচি আজ দৃষ্টি ফিরিয়ে দেবে ঠিকই, কিন্তু যে পরিস্থিতি জমে থাকা রোগীর সংখ্যা তৈরি করেছিল, তা আগামী দিনের জন্য অক্ষতই রেখে যাবে।
