শেখ সেলিম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কৃষকদের সহজ শর্তে ও কম সুদে ঋণ দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, এই সম্পাদকীয় পর্যালোচনায় তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। আর্থিকভাবে বেশি টেকসই বিকল্পের সঙ্গে প্রতিশ্রুতিটি মিলিয়ে দেখা হয়েছে। পাশাপাশি এমন কিছু সহজ সংস্কারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা গ্রামীণ পরিবারগুলোকে ঋণের বোঝা না চাপিয়েই উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে।
আমরা প্রতিশ্রুতিটি উড়িয়ে দিচ্ছি না, যাচাই করছি। প্রশ্ন এই নয় যে কৃষকের সহায়তা দরকার কি না। সেটা যে দরকার, তা স্পষ্ট। প্রশ্ন হলো, ঋণই কি সেই সহায়তার সেরা রূপ।
কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে
মানিকগঞ্জে মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ বাস্তবায়নবিষয়ক এক কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, কৃষকেরা সহজ শর্তে কম সুদে ঋণ পাবেন। লক্ষ্য উৎপাদন খরচ কমানো, যাতে ডিম, দুধ ও মাংসের দাম মানুষের নাগালে থাকে। তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা ঘাসের জাতের কথা তুলেছেন। কম খরচে গবাদিপশুর খাদ্য তৈরির প্রশিক্ষণ পাওয়া ৮৫০ জন কৃষকের কথাও বলেছেন। দৌলতপুরে আরেকটি অনুষ্ঠানে তিনি বকনা বাছুর ও খাদ্য বিতরণ করেছেন।
উদ্দেশ্য প্রশংসনীয়, কিন্তু বিবরণ পাতলা। ঋণের পরিমাণ, সুদের হার, পরিশোধের মেয়াদ, কোন প্রতিষ্ঠান ঋণ দেবে, কারা যোগ্য হবেন কিংবা বাজেট কত, কিছুই বলা হয়নি। এসব ছাড়া প্রতিশ্রুতি শুধু আবেগ, নীতি নয়।
সহজ ঋণের পক্ষে যুক্তি এবং তার সীমা
ঋণের একটা ন্যায্য ভূমিকা আছে। দুগ্ধ ও পোল্ট্রি খামারিদের পশু, ঘর, খাদ্যের মজুত, টিকা ও যন্ত্রপাতির জন্য শুরুতেই বড় অঙ্কের খরচ করতে হয়। অনেকে নিজের টাকায় তা পারেন না, তখন চড়া সুদে বেসরকারি মহাজনদের দ্বারস্থ হন। সস্তা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ তাঁদের সেই নির্ভরতা কমাতে পারে এবং দক্ষ কৃষককে ব্যবসা বড় করার সুযোগ দিতে পারে।
তবে ঋণ কেবল একটি সীমাবদ্ধতার সমাধান করে, আর তা হলো নগদ টাকার জোগান। বেশির ক্ষেত্রে সেটাই আসল বাধা নয়। যে কৃষক ঋণ নিয়ে দামি খাদ্য কেনেন, দুধ বেচেন কম ও অস্থির দামে এবং রোগে পশু হারান, ঋণ তাঁকে বেশি উৎপাদনশীল করে না, করে বেশি ঋণগ্রস্ত। খামারের হিসাব আগে থেকে মিললেই কেবল ঋণ উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। না মিললে সমস্যা আরও বড় হয়। আমাদের ব্যাংকিং খাত এই চেহারা ভালো করেই চেনে। রাজনৈতিক উৎসাহে দেওয়া, যাচাই-বাছাই দুর্বল ঋণ প্রায়ই খেলাপি হয়, তারপর পুনঃতফসিল হয়, শেষে অবলোপন হয়। এর মাশুল দেন আমানতকারী ও করদাতারা।
সহজ ঋণ যেভাবে কঠিন দেনায় পরিণত হয়
চারটি ঝুঁকি বিশেষভাবে ভাবার মতো। প্রথমটি বাছাই। সহজ বলে ঘোষিত ঋণ টানে প্রভাবশালী ও আগে থেকেই ঋণযোগ্যদের। বর্গাচাষি, নারী এবং জমির দলিলহীন ক্ষুদ্র খামারিরা বাদ পড়েন। দ্বিতীয়টি অর্থের অন্য খাতে চলে যাওয়া। টাকা তো টাকাই, এর একটা অংশ বিয়ে, চিকিৎসা বা পুরোনো দেনায় চলে যায়, উৎপাদনশীল সম্পদে লাগে না। তৃতীয়টি পরিশোধের সময়ের গরমিল। একটি দুধেল গাভী উৎপাদনক্ষম হতে দুই বছর লাগতে পারে, অথচ কিস্তি শুরু হয় কয়েক মাসের মধ্যেই। চতুর্থটি আকস্মিক বিপর্যয়। রোগ, দামের পতন ও বন্যা একটি মৌসুম শেষ করে দিতে পারে, আর খেলাপি হলে কৃষক ঠিক সেই সময়ে ভবিষ্যতের ঋণ থেকে বঞ্চিত হন, যখন তাঁর সবচেয়ে বেশি দরকার।
কম সুদেরও একটা নীরব মূল্য আছে। ঋণদাতার প্রকৃত খরচের নিচে সুদের হার ধরে রাখলে কাউকে না কাউকে ভর্তুকি দিতে হয়। ঋণের পরিমাণের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভর্তুকি বাড়তে থাকলে তা রাজকোষের বোঝা হয়ে ওঠে। তা ছাড়া ঋণদাতারা সস্তা ঋণ বরাদ্দ করেন নিরাপদ গ্রাহকদের দিকে ঝুঁকে। ফলে যাঁদের জন্য এই ঋণ, তাঁরাই পান সবার শেষে।
শুধু অর্থায়ন নয়, খরচ কমানো চাই
বিবেচনার ভিত্তি হওয়া উচিত এই যে ধার করা টাকার চেয়ে বাঁচানো টাকা ভালো। প্রতিমন্ত্রীর নিজের উদাহরণগুলোই এই পথ দেখায়। কৃষকদের কম খরচে খাদ্য তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং উন্নত জাতের ঘাস চালু করা খরচের কাঠামোকে স্থায়ীভাবে নামিয়ে আনে, কোনো ঋণের দায় ছাড়াই। এ কাজ ৮৫০ জনের গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেক বড় পরিসরে নিতে হবে এবং নীতির কেন্দ্রে আনতে হবে। ঋণের পাশে টীকা হিসেবে রেখে দিলে চলবে না।
দুগ্ধ, পোল্ট্রি ও মাছ চাষে সবচেয়ে বড় খরচ খাদ্য। তাই যেকোনো সুদের হারের চেয়ে এর দিকে বেশি নজর দরকার। মানিকগঞ্জের তিনটি গরুর মালিক এক দুগ্ধ খামারির কথা ধরুন। দুধ বেচে তাঁর আয়ের বড় অংশ সরাসরি চলে যায় খাদ্য বিক্রেতার হাতে। দাম বাড়লে কিংবা বস্তায় লেখার চেয়ে কম খাদ্য থাকলে একটি কিস্তি দেওয়ার আগেই তাঁর মুনাফা উবে যায়। ঋণ পেলে তিনি কেবল সেই একই দামি খাদ্য বাকিতে কিনতে পারবেন। পতিত ও চর জমিতে সমবায়ভিত্তিক ঘাসচাষ হলে, বীজ ও কাটিং খরচে সরবরাহ করা গেলে, কাছেই সস্তা সবুজ খাদ্যের উৎস মিলবে। কৃষকদের দল শ্রম, সংরক্ষণ ও একসঙ্গে কেনাকাটা ভাগ করে নিয়ে সাইলেজ ও মিশ্র খাদ্য তৈরি করলে খরচ আরও কমতে পারে।
রাষ্ট্রেরও নিজের ভূমিকা আছে। খাদ্য আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে, কারণ ভেজাল বা ওজনে কম খাদ্য কৃষকের ওপর লুকানো কর। কারখানা ও বাজারে মান পরীক্ষা সুদের হার কমানোর চেয়ে ভালোভাবে কৃষকের মুনাফা রক্ষা করে। দেশে জোগান কমে গেলে খাদ্যের কাঁচামালের শুল্ক ও বাজারের জটিলতা শিথিল করলে সংকট খামারপর্যায়ে দামের ধাক্কা হয়ে আসবে না। খাদ্যের খরচ সামান্য কমলেও কৃষক ছোট ঋণ অনায়াসে শোধ করতে পারেন, কিংবা ঋণ না নিলেও চলে। এতেই বোঝা যায়, নীতি খামারকে শক্তিশালী করছে, কেবল অর্থায়ন করছে না।
দাম ও বাজারের নিশ্চয়তা
বাড়তি উৎপাদনে ন্যায্য দাম মিলবে, এই আস্থা থাকলে উৎপাদনশীলতা বাড়ে। প্রায়ই দেখা যায়, ভালো মৌসুমে দাম পড়ে যায় আর কৃষক উৎপাদন কমাতে শেখেন। তিনটি পদক্ষেপ এখানে কাজে আসবে।
- সমবায় বা প্রক্রিয়াজাতকারীদের পরিচালিত দুধ সংগ্রহ ও হিমায়ন কেন্দ্র, যেখানে স্বচ্ছ দাম ও দ্রুত পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত থাকবে। তাতে কৃষক মধ্যস্বত্বভোগীদের দয়ার ওপর থাকবেন না।
- চুক্তিভিত্তিক চাষ, যেখানে প্রক্রিয়াজাতকারী আগেই নির্ধারিত সূত্রে কেনার প্রতিশ্রুতি দেয়। স্বাক্ষরিত ক্রয়চুক্তির বিপরীতে ব্যাংকও ঋণ দিতে পারে।
- উদ্বৃত্ত মৌসুমে দুধ ও ডিমের জন্য পরিমিত মূল্য স্থিতিশীলতা ব্যবস্থা, সঙ্গে স্কুলের খাবার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারি ক্রয়। এতে একসঙ্গে স্থির চাহিদা ও পুষ্টির সুফল মেলে।
বিমা ও প্রাণীস্বাস্থ্য
ঝুঁকিই ঋণকে খেলাপিতে ঠেলে দেয়। টিকাদানের রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত এবং রোগের প্রাদুর্ভাব বা চরম আবহাওয়ার মতো পরিমাপযোগ্য শর্তে চালু গবাদিপশু ও পোল্ট্রি বিমা কৃষককে সেসব ধাক্কা থেকে বাঁচাতে পারে, যা ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য নষ্ট করে। সূচকভিত্তিক বিমায় দীর্ঘ দাবি নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার বদলে যাচাইযোগ্য ঘটনার ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ মেলে। তাই এর পরিচালনা খরচ কম এবং অপব্যবহারের সুযোগও সীমিত। ক্ষুদ্র খামারিদের জন্য প্রিমিয়াম সহায়তায় সরকারের খরচ সম্ভবত বারবার ঋণ পুনঃতফসিলের চেয়ে কম পড়বে।
নিয়মিত প্রাণীস্বাস্থ্যসেবাও সমান জরুরি। প্রশিক্ষিত কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে টিকা ও কৃমিনাশক দিতে খরচ কম, অথচ এতে এমন ক্ষতি ঠেকানো যায়, যা কোনো ঋণ পুষিয়ে দিতে পারে না। ভর্তুকিতে ভালো মানের বীর্য দিয়ে কৃত্রিম প্রজনন করালে প্রতিটি পশুর দুধের উৎপাদন বাড়ে, আর উৎপাদনশীলতার সবচেয়ে সরাসরি পথ এটিই। এসব সেবা দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রই সবচেয়ে উপযুক্ত।
কর্মদক্ষতার পুরস্কার
কৃষকের হাতে সরকার টাকা পৌঁছাতে চাইলে ঋণের চেয়ে কর্মদক্ষতাভিত্তিক সমপরিমাণ অনুদান ভালো উপায়। যে কৃষক টিকা দেন, হিসাব রাখেন, খাদ্যের মান বজায় রাখেন এবং উৎপাদন বাড়ান, তিনি পরবর্তী সম্পদ কেনার জন্য আংশিক অনুদান পেতে পারেন, যেমন একটি বকনা বাছুরের দামের একাংশ বা একটি দুধ দোহনযন্ত্র। এতে পরিশ্রমের স্বীকৃতি মেলে, পরিশোধের বোঝা থাকে না, উন্নতির জন্য চোখে পড়ার মতো প্রণোদনাও তৈরি হয়। এর ফলে কর্মকর্তারা যোগাযোগের জোর যাঁদের আছে, তাঁদের নয়, ফল দেখাতে পারা কৃষকদের সরাসরি সহায়তা দিতে পারবেন। সেরা কৃষক দলগুলোকে স্বীকৃতি দিলে সামান্য খরচে উৎসাহ আরও বাড়বে।
ঋণ রাখতে হলে সংস্কার করতে হবে
ঋণ একেবারে বন্ধ হোক, এ কথা আমরা বলছি না। আমরা বলছি, ঋণ সহায়ক ভূমিকায় থাকুক এবং সাবধানে সাজানো হোক। দৌলতপুরের এক নারীর কথা ভাবুন, যাঁকে বকনা বাছুর কেনার জন্য ঋণ দেওয়া হলো। এককালীন নগদ টাকা হাতে এলে তা সহজেই চিকিৎসা, বিয়ে বা পুরোনো দেনার দিকে চলে যায়, বাছুর আর কেনা হয় না। ঋণ যদি সরাসরি সরবরাহকারীকে দেওয়া হয় এবং সম্পদের সঙ্গেই বাঁধা থাকে, তাহলে পশুটি তাঁর গোয়ালে পৌঁছায় এবং ঋণ তার উদ্দেশ্য পূরণ করে।
পরিশোধের ধরন হতে হবে তাঁর খামারের ছন্দ অনুযায়ী, ব্যাংকের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নয়। বকনা বাছুরের পরিপক্ব হয়ে দুধ দিতে সময় লাগে, তাই কিছুদিনের রেয়াতকাল বাস্তবসম্মত। সমবায়ের মাধ্যমে দুধ বিক্রির টাকা থেকে কিস্তি কেটে নিলে তিনি আয়ের সঙ্গে সঙ্গে ঋণ শোধ করতে পারবেন।
ঝুঁকিও আরও ন্যায্যভাবে ভাগ করা দরকার। ঋণ গ্যারান্টি তহবিল থাকলে ব্যাংক ক্ষুদ্র খামারিকে ঋণ দিতে পারে, প্রতিটি টাকার ঝুঁকি ঋণগ্রহীতার ঘাড়ে চাপাতে হয় না। সমবায়ের মাধ্যমে দলীয় ঋণে পারস্পরিক জবাবদিহিও যুক্ত হয়। ঋণ, বিক্রি ও প্রাণীস্বাস্থ্যের ডিজিটাল রেকর্ড থাকলে ঋণদাতারা তাঁকে যোগাযোগ বা জামানত দিয়ে নয়, প্রকৃত কর্মদক্ষতা দিয়ে বিচার করতে পারবেন এবং তাঁর গড়ে তোলা শৃঙ্খলাকে পুরস্কৃত করবেন।
সবশেষে সুবিধাভোগীদের একটি স্বচ্ছ সরকারি তালিকা থাকলে কর্মসূচি জবাবদিহির আওতায় আসবে। কে সহায়তা পাচ্ছেন, নাগরিকেরা তা দেখতে পারবেন। এভাবে সাজানো হলে ঋণ দুর্বল খামারের বোঝা না হয়ে সচল খামারকে শক্তি জোগাবে।
আমাদের সিদ্ধান্ত
আমাদের প্রস্তাবিত ক্রম সহজ। প্রথমত, খাদ্য, ঘাস ও মান নিশ্চিতের মাধ্যমে খরচের ভিত্তি কমানো। দ্বিতীয়ত, সংগ্রহ কেন্দ্র, চুক্তি ও সরকারি ক্রয়ের মাধ্যমে বাজার ও দামের নিশ্চয়তা। তৃতীয়ত, বিমা, টিকা ও প্রজনন সেবায় ঝুঁকি কমানো। চতুর্থত, সমপরিমাণ অনুদান দিয়ে ফলাফলকে পুরস্কৃত করা। তারপরই কেবল আসবে ঋণ, পরিমিত ও ভালোভাবে সাজানো আকারে, তেমন কৃষকদের জন্য, যাঁদের খামার বড় হওয়ার জন্য প্রস্তুত। এতে এমন খামার গড়ে ওঠে যা ঋণ শোধ করতে পারে, এমন খামারকে ঋণ দেওয়া হয় না যা পারে না।
প্রতিমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন যে উৎপাদন খরচ বেশি হলে কৃষক ও ভোক্তা দুই পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হন। কিন্তু সহজ ঋণ নগদের টানাটানির লক্ষণের চিকিৎসা করে, কারণগুলো ছুঁয়েও দেখে না। কারণ হলো দামি খাদ্য, অস্থির দাম ও অব্যবস্থাপিত ঝুঁকি। বিস্তারিত বিবরণ, রক্ষাকবচ ও পরিপূরক সংস্কার ছাড়া এই প্রতিশ্রুতি আরেকটি চক্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে: সস্তা ঋণ, দুর্বল আদায় আর নীরবে অবলোপন।
ভালো পথ হলো আগে কৃষিকে লাভজনক করা এবং লাভের পেছনে ঋণকে আসতে দেওয়া। আমরা মন্ত্রণালয়কে আহ্বান জানাই প্রস্তাবিত কর্মসূচির শর্তাবলি প্রকাশ করতে, খাদ্য নিয়ে শুরু করা কাজ আরও সম্প্রসারণ করতে এবং খরচ কমানো, বাজারে প্রবেশাধিকার ও ঝুঁকি সুরক্ষাকে নিজেদের এজেন্ডার কেন্দ্রে রাখতে। কৃষককে উৎপাদনশীলতার কাছে ঋণী হতে হবে না। তাঁর দরকার এমন ব্যবস্থা, যেখানে উৎপাদনশীলতাই লাভ এনে দেয়।
