অধ্যাপক ড. তানভীর ফিতিন আবির
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশে হজের প্রস্তুতি শুধু ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের বিষয় নয়, একই সঙ্গে জন প্রশাসনের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতারও পরীক্ষা। সাম্প্রতিক ঘটনাবলি দেখিয়েছে, আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে, যার প্রভাব পড়ে বেসামরিক মানুষের যাতায়াতেও। সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলা এবং এর জেরে বিভিন্ন উড়োজাহাজ সংস্থার ফ্লাইট বাতিলের খবর প্রকাশ করেছে রয়টার্স (২০২৬)।
রিয়াদে এবং কিছু উড়োজাহাজ সংস্থার ক্ষেত্রে জেদ্দা ও মদিনায় ফ্লাইট চলাচল স্থগিতের খবরও পাওয়া গেছে। তবে এসব ঘটনা দিয়ে ২০২৭ সালের হজের সময়কার পরিস্থিতি নিশ্চিতভাবে অনুমান করা যায় না। বরং অনিশ্চয়তার কথা মাথায় রেখেই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের উচিত অন্য দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে অনুমাননির্ভর সিদ্ধান্ত না নিয়ে অনিশ্চয়তাকে বাস্তবতা হিসেবে মেনে নিয়ে তার মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা করা।
কোটা বাড়ানোর আগে সক্ষমতা যাচাই
২০২৭ সালের হজের জন্য বাংলাদেশকে ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর প্রকাশিত বিডিনিউজ২৪ ডটকমের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তখন পর্যন্ত নিবন্ধন করেছিলেন ৭৫ হাজার ৯৮২ জন। তাঁদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৯০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭০ হাজার ৮৯২ জন ছিলেন। বিভিন্ন হজ এজেন্সি আরও ২০ হাজার আসন বরাদ্দের অনুরোধ জানিয়েছিল। এসব সংখ্যা নির্দিষ্ট সময়ের হিসাব। হালনাগাদ তথ্য যাচাই না করে সেগুলোকে বর্তমান নিবন্ধনের সংখ্যা হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
তবে সংখ্যার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, অতিরিক্ত হাজির দায়িত্ব নেওয়ার মতো বাস্তব সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে কি না। আবাসন, যাতায়াত, চিকিৎসা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে হাজির সংখ্যা বাড়ালে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার ঝুঁকি শেষ পর্যন্ত হাজিদের ওপরই পড়বে।
কোটা বাড়ানোর আগে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উচিত সামগ্রিক সক্ষমতা যাচাই করা। অতিরিক্ত হাজিদের জন্য নির্ধারিত শয্যা, পরিবহন, প্রশিক্ষিত গাইড এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বাণিজ্যিক চাহিদা বা এজেন্সিগুলোর আবেদনের ভিত্তিতে পরিচালনাগত প্রস্তুতি নির্ধারণ করা যায় না। সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের উচিত নিজেদের প্রয়োজন দৃঢ়ভাবে তুলে ধরা এবং সম্ভাব্য হাজিদের কাছে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বচ্ছ থাকা।
পরিবারের সঞ্চয় সুরক্ষিত রাখা
বাংলাদেশের বহু পরিবারের কাছে হজে যাওয়া বহু বছরের সঞ্চয় ও দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফল। শেষ মুহূর্তে অপ্রত্যাশিত খরচের বোঝা চাপলে পরিবারগুলো আর্থিক সংকটে পড়ে, একই সঙ্গে ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থাও হারায়। হজ প্যাকেজে বিমানভাড়া, আবাসন, খাবার, পরিবহন, সেবামাশুল এবং জরুরি পরিস্থিতির জন্য বরাদ্দ করা অর্থ আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হবে। কোনো খরচ পরিবর্তন হলে তার কারণ, অনুমোদনের প্রক্রিয়া এবং অতিরিক্ত অর্থ দিতে অক্ষম হাজিদের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব স্পষ্ট করতে হবে।
পরিস্থিতি খারাপ হলে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ সংগ্রহের পরিবর্তে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত জরুরি তহবিল গড়ে তোলা প্রয়োজন। সেই তহবিলের ব্যয় ও নিরীক্ষার নিয়ম জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। টাকা নেওয়ার আগেই এজেন্সিগুলোকে বাতিল, অর্থ ফেরত এবং ক্ষতিপূরণের শর্ত লিখিতভাবে জানাতে হবে। হাজিদের অর্থ সুরক্ষিত রাখার জন্য যথাযথ আর্থিক নিশ্চয়তা অথবা ব্যাংক গ্যারান্টির ব্যবস্থাও বিবেচনা করা দরকার।
চুক্তিতে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তনের হিসাব কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা উল্লেখ থাকতে হবে। একইভাবে, যাত্রা পিছিয়ে গেলে অর্থ পরিশোধ বা পরবর্তী সময়ে হজে যাওয়ার সুযোগ কীভাবে বিবেচিত হবে, তা-ও স্পষ্ট করতে হবে। তবে কোনো পরিস্থিতিতেই পরের বছর স্বয়ংক্রিয়ভাবে হজে যাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া উচিত নয়, যদি তার পক্ষে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকে।
ফ্লাইট ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়সীমা
প্রকাশিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজের ভিসা দেওয়া এবং ৮ এপ্রিল থেকে ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হজের সময়কাল আনুমানিক ১৫ মে নাগাদ হতে পারে। তবে এসব তারিখ পরিকল্পনাসূচক। কোনো বিঘ্ন ছাড়াই সব কার্যক্রম সম্পন্ন হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
ঢাকার উচিত সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজ সংস্থা ও সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনা এবং বিমানবন্দরের সক্ষমতা নিয়ে লিখিত সমঝোতা করা। অনুমোদিত সৌদি বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে ফ্লাইট পরিবর্তনের সুযোগ নিয়েও আগাম আলোচনা প্রয়োজন। তবে বিকল্প পথে যাত্রার জন্য সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন ও পরিচালনাগত ছাড়পত্র থাকতে হবে। অন্য কোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করা গেলেই যে সেই পথ নিরাপদ হবে, এমন ধারণা করা ঠিক নয়।
বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধের আগেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা শুরু করা উচিত এবং হাজিদের যাত্রা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখতে হবে। মার্চ মাসে বিমান চলাচল, কূটনৈতিক যোগাযোগ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে একটি সমন্বিত পর্যালোচনা করা যেতে পারে। এরপর যাত্রার সময়সূচি ও হাজিদের অংশগ্রহণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে হজের নির্ধারিত ধর্মীয় সময়সূচি বাংলাদেশ পরিবর্তন করতে পারবে না। ফলে প্রস্তুতি ও বিকল্প ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।
বিমা ও জরুরি পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নির্ধারণ
বিমা কেনার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। দ্য গার্ডিয়ান ২০২৬ সালের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রচলিত ভ্রমণবিমার চুক্তিতে সশস্ত্র সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি প্রায়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে না। তাই বাংলাদেশকে বিমার আওতা, বাদ পড়া ঝুঁকি, চিকিৎসার প্রয়োজনে অন্যত্র নেওয়ার ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে লিখিত নিশ্চয়তা নিতে হবে। বাণিজ্যিক বিমার আওতায় প্রয়োজনীয় সুরক্ষা পাওয়া না গেলে সরকারকে জানাতে হবে, সরকারি তহবিল থেকে কী ধরনের সহায়তা পাওয়া যেতে পারে এবং তার সীমাবদ্ধতা কোথায়। বিমার সনদ থাকলেই নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না, এই বিষয়টিও হাজিদের কাছে স্পষ্ট করতে হবে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট, উড়োজাহাজ সংস্থা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি যৌথ সমন্বয়ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। আটকে পড়া হাজিদের আশ্রয়, হাসপাতালে পাঠানো, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং দেশে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব কার, তা আগেই নির্ধারণ করতে হবে।
যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়া কিংবা দীর্ঘ সময় ফ্লাইট বন্ধ থাকার মতো পরিস্থিতি ধরে মহড়ার আয়োজন করা উচিত। উদাহরণ হিসেবে, ৪০০ হাজিকে বহনকারী একটি ফ্লাইট বাতিল হলে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা কে করবে, ব্যয় কে বহন করবে, প্রয়োজনীয় ওষুধ কীভাবে পৌঁছাবে এবং পরিবারের সদস্যদের কখন জানানো হবে, এসব প্রশ্নের উত্তর আগেই নির্ধারিত থাকা দরকার। হজ এজেন্সি ও উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোকে সঙ্গে নিয়ে এমন পরিস্থিতির মহড়া চালাতে হবে।
শুধু ‘সমন্বয় করা হবে’ বললে দায়িত্ব নিশ্চিত হয় না। কোন কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত নেবেন, কে পুরো প্রক্রিয়ার দায়িত্ব নেবেন এবং অর্থের জোগান কোথা থেকে আসবে, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করাই কার্যকর ব্যবস্থাপনার শর্ত।
আশকোনা হজ ক্যাম্প ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা
প্রস্তুতির শুরু হওয়া উচিত দেশেই। আশকোনা হজ ক্যাম্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন, যেখানে বিশুদ্ধ পানি, পয়োনিষ্কাশন, খাবার, বিকল্প বিদ্যুৎ, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং সবার ব্যবহার উপযোগী শোয়ার জায়গা নিশ্চিত করা হবে। অতিরিক্ত হাজিদের থাকার জন্য বিকল্প আবাসনও আগাম বুকিং দিয়ে রাখতে হবে। ফ্লাইট পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে হাজিদের দ্রুত ও নিশ্চিত তথ্য দিতে হবে, যাতে ভিড় বা অনিশ্চয়তার মধ্যে তাঁদের অপ্রয়োজনীয় দুর্ভোগে পড়তে না হয়।
অর্থ পরিশোধের আগেই প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা এবং সংশ্লিষ্ট হজ মৌসুমের সৌদি আরবের স্বাস্থ্যগত যোগ্যতা ও টিকাদানের শর্ত যাচাই করা প্রয়োজন। বয়স্ক, প্রতিবন্ধী এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত হাজিদের জন্য ব্যক্তিগত সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। নারী হাজিদের জন্য নারী গাইড, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখে থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রশিক্ষণে হজের আনুষ্ঠানিকতা ও ধর্মীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি ভিড়, প্রচণ্ড গরম এবং দলছুট হয়ে পড়লে কী করতে হবে, সে বিষয়েও ব্যবহারিক নির্দেশনা থাকা দরকার। যাঁদের পড়ার দক্ষতা সীমিত, তাঁদের জন্য বাংলায় অডিও নির্দেশনা, ছবি ও হাতে-কলমে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পরিচয়পত্রে জরুরি যোগাযোগের তথ্য রাখতে হবে, তবে ব্যক্তিগত চিকিৎসাসংক্রান্ত গোপন তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। একই সঙ্গে, হাজিদের পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ভরযোগ্য ও নিয়মিত তথ্য পাওয়ার যোগাযোগমাধ্যম নিশ্চিত করতে হবে।
জবাবদিহি দৃশ্যমান করতে হবে
হজ ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি বোঝার জন্য জনসাধারণের উপযোগী একটি অনলাইন তথ্যপর্দা চালু করা যেতে পারে। সেখানে নিবন্ধিত হাজির সংখ্যা, ভিসা সম্পন্ন হওয়ার সংখ্যা, নিশ্চিত আসনের সংখ্যা এবং বাস্তবে যাত্রা করা হাজির সংখ্যা আলাদাভাবে দেখাতে হবে।
এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির অগ্রগতি নিয়মিত প্রকাশ করা প্রয়োজন। প্রতিটি অভিযোগের জবাব দেওয়ার সময়সীমা এবং আপিলের সুযোগ নির্ধারণ করতে হবে। চুক্তি অনুযায়ী সেবা দেওয়া হয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করে ন্যায্য তদন্তের ভিত্তিতে অনিয়মের জন্য জরিমানা বা অন্যান্য ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রকাশিত কর্মসম্পাদন প্রতিবেদনে অমীমাংসিত অভিযোগের সংখ্যা, অর্থ ফেরত দিতে প্রয়োজনীয় সময়, প্রতিশ্রুত সেবা বাস্তবে দেওয়ার হিসাব এবং যাত্রা সম্পন্ন করা হাজির সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
বাংলাদেশ আঞ্চলিক যুদ্ধ থামাতে পারবে না। তবে উন্নত ও দায়িত্বশীল প্রস্তুতির মাধ্যমে সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে পারে। হজ ব্যবস্থাপনায় পরিবারের সঞ্চয় সুরক্ষিত রাখা, অনিশ্চয়তা সম্পর্কে সৎ থাকা এবং ঝুঁকিতে থাকা হাজিদের বিশেষ সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
হজ একটি পবিত্র ধর্মীয় দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনের ব্যবস্থাপনাও হতে হবে এমন, যেখানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব স্পষ্ট, ব্যয়ের হিসাব স্বচ্ছ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নির্ধারিত থাকবে। সংকট দেখা দেওয়ার পর নয়, তার আগেই জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
তথ্যসূত্র:
Bangladesh Sangbad Sangstha. (2026, June 8). Govt releases Hajj 2027 roadmap asks completion of registration by Sept 26.
bdnews24.com. (2026, October 2). Bangladesh Hajj agencies seek 20,000 more pilgrim slots as quota fills up.
Reuters. (2026, October 13). Airlines cancel flights to Saudi Arabia after Riyadh airport attacks.
The Guardian. (2026, May 16). ‘The Iran war left my insurance policy void’: How the conflict is affecting travellers.
