স্নাতক পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার ঘোষণার পর দরকার বিভাগভিত্তিক হিসাব
ফারাহ জেহির
নির্বাহী সম্পাদক, অনিকেত বুলেটিন
দরজা খুলেছিল উপবৃত্তি
বাংলাদেশে মেয়েদের শিক্ষার সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি ঘটেছিল যখন মাধ্যমিক পর্যায়ে তাদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তির সুযোগ তৈরি হয়। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে মাধ্যমিক শিক্ষা অবৈতনিক করা এবং ১৯৯৪ সালে গ্রামীণ মেয়েদের জন্য উপবৃত্তি চালুর পর স্কুলে মেয়েদের উপস্থিতি দ্রুত বাড়তে থাকে। পরে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়েও এই সহায়তা বিস্তৃত হয়।
দুই দশক পর সেই পরিবর্তনের চেহারা এখন স্পষ্ট। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে মেয়েরা আর শ্রেণিকক্ষের প্রান্তে নেই। মাধ্যমিক পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ ছেলেদের সমান বা তার চেয়েও বেশি। চিকিৎসাশিক্ষাতেও মেয়েদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। অর্থাৎ মেয়েদের স্কুলে আনার যে নীতিগত লড়াই বাংলাদেশ শুরু করেছিল, তার বড় অংশ সফল হয়েছে।
এখন সরকার সেই পথ আরও দীর্ঘ করার ঘোষণা দিয়েছে। ৩০ এপ্রিল সংসদে প্রধানমন্ত্রী স্নাতক বা ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্তের কথা জানান। ভালো ফল করা ছাত্রীদের জন্য বৃত্তির কথাও বলা হয়েছে। ঘোষণাটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখানেই মূল প্রশ্নটি শুরু হয়। বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ তৈরি হলেই কি মেয়েদের শিক্ষা শেষ পর্যন্ত জীবনের সুযোগে পরিণত হবে?
আট বিভাগে একই নীতি, একই বাস্তবতা নয়
বাংলাদেশে শিক্ষা নীতি জাতীয়ভাবে নির্ধারিত হলেও তার ফল অঞ্চলভেদে এক নয়। ২০২২ সালের আদমশুমারিতে দেশের সামগ্রিক সাক্ষরতার হার ছিল ৭৪.৬৬। নারী সাক্ষরতার হার ছিল তার চেয়ে কিছুটা কম। বিভাগগুলোর মধ্যেও ব্যবধান স্পষ্ট। ঢাকা এগিয়ে থাকলেও ময়মনসিংহের অবস্থান অনেক পিছিয়ে।
এই পার্থক্য শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দিয়ে বোঝা যায় না। কোথাও পরিবারের আয় মেয়েকে স্কুলে রাখার সবচেয়ে বড় বাধা। কোথাও বাল্যবিয়ে। কোথাও নদীভাঙন, বন্যা বা বাস্তুচ্যুতি। আবার কোথাও স্কুল শেষ করা মেয়ের জন্য স্থানীয় অর্থনীতিতে উপযুক্ত কাজই নেই।
বাল্যবিয়ের সাম্প্রতিক তথ্যও একই ছবি দেখায়। ২০২৫ সালের বাংলাদেশ বহুমাত্রিক সূচক জরিপ অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের প্রায় অর্ধেকের বিয়ে ১৮ বছরের আগেই হয়েছে। বিভাগগুলোর মধ্যেও বড় পার্থক্য রয়েছে। রাজশাহী ও খুলনায় হার সবচেয়ে বেশি, আর সিলেটে সবচেয়ে কম।
তাই মেয়েদের শিক্ষার পরবর্তী পর্যায়ের নীতি শুধু জাতীয় গড় দিয়ে তৈরি করলে চলবে না। কোন অঞ্চলে মেয়েরা কেন স্কুল ছাড়ছে, কোথায় তারা উচ্চশিক্ষায় পৌঁছাতে পারছে না, আর কোথায় পড়াশোনা শেষ করেও কাজ পাচ্ছে না, সেই হিসাব আলাদা করে দেখতে হবে।
উপবৃত্তি শুধু টাকার অঙ্ক নয়
উপবৃত্তি মেয়েদের শিক্ষায় বড় ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে, পরিবারের শিক্ষাব্যয়ও বদলেছে। দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকার পর ২০২৬ সালে প্রাথমিক মেধাবৃত্তির মাসিক সহায়তা বাড়ানো হয়েছে। মেধাবৃত্তির মাসিক অঙ্ক ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তির মাসিক অঙ্ক ২২৫ থেকে ৪৫০ টাকা করা হয়েছে।
কিন্তু বৃত্তির অঙ্ক বাড়ানোই যথেষ্ট নয়। সহায়তা কখন পৌঁছাচ্ছে, কে পাচ্ছে, দুর্গম এলাকার ছাত্রী কীভাবে আবেদন করছে এবং ভর্তির সময়ের খরচ সামলাতে পরিবারটি সেই অর্থ সময়মতো পাচ্ছে কি না, এসব প্রশ্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার নতুন উদ্যোগেও একই বিষয় প্রযোজ্য। শুধু টিউশন ফি মওকুফ করলেই হবে না। যাতায়াত, বই, থাকার খরচ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরিবারের আর্থিক চাপ অনেক শিক্ষার্থীর জন্য উচ্চশিক্ষার পথে বড় বাধা হয়ে থাকে।
আসল পরীক্ষা শ্রেণিকক্ষের বাইরে
বাংলাদেশের মেয়েরা স্কুলে এসেছে। এখন তাদের কাজের জগতে পৌঁছানোর পথ কতটা খোলা, সেটিই বড় প্রশ্ন। ২০২২ সালের শ্রমশক্তি জরিপে নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ আগের দশকের তুলনায় বেড়েছে। কিন্তু পুরুষের তুলনায় ব্যবধান এখনও বড়, এবং নারীরা এখনও বিপুলভাবে অনানুষ্ঠানিক কাজের ওপর নির্ভরশীল।
এখানে শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সম্পর্কটি নতুন করে ভাবতে হবে। একটি মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি পেলেও যদি নিরাপদ যাতায়াত না থাকে, কর্মক্ষেত্রে শিশুযত্নের ব্যবস্থা না থাকে, স্থানীয়ভাবে উপযুক্ত চাকরি না থাকে বা কাজের পরিবেশ পরিবারকে নিরুৎসাহিত করে, তাহলে সেই ডিগ্রি তার অর্থনৈতিক স্বাধীনতার পথ খুলতে পারে না।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের শিক্ষায় লিঙ্গসমতার অগ্রগতি স্পষ্ট হলেও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে এখনও সবচেয়ে বড় দুর্বলতার জায়গা হিসেবে দেখানো হয়েছে। একই প্রতিবেদনে উচ্চশিক্ষায়ও একটি ব্যবধানের কথা বলা হয়েছে। এটাই বাংলাদেশের সামনে পরবর্তী বড় কাজ: মেয়েদের শুধু শিক্ষিত করা নয়, সেই শিক্ষাকে আয়, দক্ষতা, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগে পরিণত করা।
উচ্চশিক্ষার দরজায় এখনও প্রশ্ন
স্কুলে মেয়েদের অংশগ্রহণের অগ্রগতি যতটা দৃশ্যমান, বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ছবিটি ততটা সমান নয়। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে মেয়েদের অংশ এক-তৃতীয়াংশের কিছু বেশি। অন্যদিকে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ২০২৬ সূচকে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় লিঙ্গসমতার স্কোর ৭৭.১। দুটি তথ্যের পদ্ধতি এক নয়, কিন্তু দুটিই দেখায় যে মাধ্যমিক পর্যায়ের অগ্রগতি উচ্চশিক্ষায় একইভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
এই জায়গাটিই নতুন নীতির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু হলে কতজন মেয়ে সত্যিই বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছাবে, কতজন পড়াশোনা শেষ করবে এবং কতজন সেই শিক্ষা ব্যবহার করে নিজের জীবনের সিদ্ধান্তে স্বাধীনতা অর্জন করবে, সেই হিসাবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
শুধু পড়াশোনা নয়, নিজের জায়গা তৈরি করা
শ্রেণিকক্ষের বাইরেও মেয়েদের সুযোগ নিয়ে ভাবতে হবে। খেলাধুলা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, বিতর্ক, নেতৃত্ব এবং সৃজনশীলতার জায়গায় অংশগ্রহণও শিক্ষারই অংশ। বিশেষ করে গ্রামের মেয়েদের ক্ষেত্রে মাঠ, প্রশিক্ষক, নিরাপদ পরিবেশ এবং নিয়মিত কার্যক্রমের অভাব তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ কমিয়ে দিতে পারে।
মেধাবৃত্তিও শুধু পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। দুর্গম অঞ্চলের মেধাবী শিক্ষার্থী, প্রতিকূলতার মধ্যেও এগিয়ে চলা ছাত্রী এবং খেলাধুলা বা সংস্কৃতিতে প্রতিভাবান মেয়েদের খুঁজে বের করার ব্যবস্থা দরকার। একটি মেয়ের সম্ভাবনা শুধু তার পরীক্ষার খাতায় মাপা যায় না।
শিক্ষা থেকে সমতার পথে
মেয়েদের শিক্ষা শুধু একটি দেশের মানবসম্পদ তৈরির বিষয় নয়; এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ৪ মানসম্মত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলে, আর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ৫ শিক্ষা ও জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নারী ও মেয়েদের সমতা ও ক্ষমতায়নের সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশের গত দুই দশকের অগ্রগতি দেখায়, মেয়েদের শিক্ষায় প্রবেশের সুযোগ বাড়ানো সম্ভব। এখন প্রশ্ন হলো, সেই অগ্রগতি কতটা টেকসই এবং জীবনের পরবর্তী ধাপে তা কতটা পৌঁছাচ্ছে।
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার ২০২৬ সালের বৈশ্বিক শিক্ষা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পড়াশোনা শেষ করতে পেরেছে আনুমানিক ৩৮ শতাংশ শিক্ষার্থী, যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার গড় ছিল ৫৭ শতাংশ। অর্থাৎ স্কুলে পৌঁছানো এবং শিক্ষা শেষ করা এক বিষয় নয়।
একইভাবে, শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়লেও কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জায়গায় এখনও বড় ব্যবধান রয়েছে। ফলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ৪-এর লক্ষ্য শুধু মেয়েদের শ্রেণিকক্ষে আনা দিয়ে পূরণ হয় না। শিক্ষা যেন দক্ষতা, কাজ এবং নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতায় পরিণত হয়, সেটিও জরুরি। আর সেখানেই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ৫-এর সঙ্গে শিক্ষার যোগসূত্র তৈরি হয়।
বাংলাদেশের জন্য পরবর্তী চ্যালেঞ্জ তাই শুধু আরও মেয়েকে স্কুলে আনা নয়। তাদের শিক্ষা শেষ করা, উচ্চশিক্ষায় পৌঁছানো এবং সেই শিক্ষাকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের সুযোগে পরিণত করা। শিক্ষার সাফল্যকে এখান থেকেই নতুন করে দেখতে হবে।
এখন কী করা দরকার
স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষার ঘোষণা বাস্তবায়নের সময় তাই শুধু ফি মওকুফের দিকে তাকালে হবে না।
প্রথমত, উপবৃত্তি ও বৃত্তির অর্থ সময়মতো পৌঁছাতে হবে এবং মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তা নিয়মিত পর্যালোচনা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, উচ্চ বাল্যবিয়ের এলাকাগুলোকে আলাদা অগ্রাধিকার দিতে হবে। স্কুল, পরিবার, স্থানীয় সরকার এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে একই পরিকল্পনার অংশ করতে হবে।
তৃতীয়ত, বন্যা, নদীভাঙন ও অন্যান্য দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। চতুর্থত, প্রতিটি অঞ্চলের অর্থনীতির সঙ্গে শিক্ষার যোগসূত্র তৈরি করতে হবে। কারিগরি প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশি, স্থানীয় শিল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাস্তব সংযোগ দরকার। পঞ্চমত, মেয়েদের জন্য নিরাপদ যাতায়াত, শিশুযত্ন এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশকে নারী কর্মসংস্থানের নীতির কেন্দ্রীয় অংশ করতে হবে।
সবশেষে, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে মেয়েদের শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক তথ্যব্যবস্থা তৈরি করা দরকার। কোথায় মেয়েরা স্কুল ছাড়ছে, কোথায় উচ্চশিক্ষায় আটকে যাচ্ছে এবং কোথায় ডিগ্রি নিয়েও কর্মক্ষেত্রে ঢুকতে পারছে না, তা না জানলে নীতি অনুমানের ওপরই দাঁড়িয়ে থাকবে। মেয়েদের বিনা খরচে পড়ার সুযোগ দেওয়া অবশ্যই একটি বড় পদক্ষেপ। কিন্তু বাংলাদেশের নারী শিক্ষার পরবর্তী অধ্যায়ের সাফল্য শুধু শ্রেণিকক্ষে কতজন মেয়ে বসেছে তা দিয়ে মাপা যাবে না। প্রশ্ন হবে আরও বড়: কতজন মেয়ে পড়াশোনা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারল?
References
- Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics (BANBEIS), Bangladesh Education Statistics 2023. বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রীদের অংশ এবং অন্যান্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্যের জন্য।
- Bangladesh Bureau of Statistics, Population and Housing Census 2022. জাতীয় ও বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার তথ্যের জন্য।
- UNICEF Bangladesh, Bangladesh Multiple Indicator Cluster Survey 2025. বাল্যবিয়ে ও বিভাগভিত্তিক সর্বশেষ তথ্যের জন্য।
- World Economic Forum, Global Gender Gap Report 2026. শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের লিঙ্গ ব্যবধানের জন্য।
- UNESCO, Global Education Monitoring Report 2026. উচ্চমাধ্যমিক completion-এর তথ্যের জন্য।
- Bangladesh Bureau of Statistics, Labour Force Survey 2022. নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ ও কর্মসংস্থানের তথ্যের জন্য।
- Prime Minister’s Education Assistance Trust (PMEAT), Government of Bangladesh. শিক্ষা সহায়তা ও বৃত্তি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য।
- Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS), 2026. প্রাথমিক বৃত্তির নতুন কাঠামো ও অর্থের পরিমাণের জন্য।
- Bangladesh Parliament / contemporary reporting, 30 April 2026. স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করার সরকারি ঘোষণার জন্য।
