তানজীনা ফেরদৌস
অনিকেত রিসার্চ গ্রুপ
বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমেছে, শিক্ষার সুযোগ বেড়েছে, মাতৃমৃত্যুর হারও কমেছে। তারপরও দেশের প্রায় অর্ধেক তরুণীর বিয়ে হচ্ছে বাল্যবিবাহের পর্যায়ে। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সালের জনমিতিক জরিপে দেখা যায়, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের ৭৩ শতাংশের বিয়ে হয়েছিল ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই। ২০২২ সালে সেই হার নেমে আসে ৫১ শতাংশে। প্রায় তিন দশকে হ্রাস মাত্র ২২ শতাংশ পয়েন্ট, যা ভারত, নেপাল কিংবা পাকিস্তানের তুলনায় অনেক ধীর অগ্রগতি।
পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা কিংবা মেয়েদের শিক্ষার প্রসারও প্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে পারেনি। সবচেয়ে সচ্ছল পরিবারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রাপ্ত প্রতি চারজনের একজনের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে। ফলে বাল্যবিবাহের সমস্যাকে শুধু দারিদ্র্যের ফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। আইনের দুর্বল প্রয়োগ এবং নাগরিকদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞতাও এই সমস্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করছে।
আইনে যা বলা আছে, ব্যতিক্রমের সুযোগ যেখানে
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী, নারীর বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং পুরুষের ২১ বছর। অপ্রাপ্তবয়স্কের বিয়ে সম্পাদনকারী প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি, বিয়ের আয়োজনকারী অভিভাবক এবং বিয়ে সম্পাদনকারী নিবন্ধকের জন্য আইনটিতে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে আইনের বিশেষ বিধানে আদালতের নির্দেশ এবং অভিভাবকের সম্মতিতে নির্ধারিত বয়সের আগেও বিয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। ওই বিধানে ন্যূনতম বয়সের কোনো নির্দিষ্ট সীমাও উল্লেখ নেই।
সমালোচকদের যুক্তি, আইনের এই ব্যতিক্রম অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে। বয়স গোপন করা কিংবা বিশেষ পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে প্রায় যেকোনো বিয়েকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। যে আইন একদিকে বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ করে, অন্যদিকে ন্যূনতম বয়সের সীমা ছাড়াই ব্যতিক্রমের সুযোগ রাখে, সেই আইন পরিবার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে পরস্পরবিরোধী বার্তা পৌঁছে দেয়।
আইন প্রয়োগে বাধা কোথায়
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় বাল্যবিবাহের হার দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ, ৬৫.৭ শতাংশ। অথচ ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে পুরো জেলায় মাত্র ১৮টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্মকর্তাদের অভিযোগ, কিছু কাজি এমন বিয়ে সম্পাদনের জন্য স্বাভাবিকের তুলনায় তিন গুণ পর্যন্ত বেশি ফি নেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা, কর্মসংস্থানের অভাব এবং মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে অনেক অভিভাবক অল্প বয়সে বিয়েকে সুরক্ষার উপায় হিসেবে দেখেন।
যেখানে বিয়ের নিবন্ধক আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন, পরিবার বয়স গোপন করতে পারে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চোখ ফিরিয়ে রাখতে পারেন, সেখানে আইন কার্যত কাগুজে বিধানে পরিণত হয়। জন্মনিবন্ধনের দুর্বলতা এই সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। নির্ভরযোগ্য জন্মনিবন্ধন সনদ না থাকলে বয়স যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ে, আর সেই অনিশ্চয়তার সুযোগ নেওয়াও সহজ হয়।
প্রত্যেক নাগরিকের যে অধিকার জানা প্রয়োজন
বাংলাদেশের প্রতিটি মেয়ে সংবিধান অনুযায়ী আইনের সমান আশ্রয়, শিক্ষা ও নিরাপত্তার অধিকারী। বিয়েতে সম্মতি দেওয়া কিংবা অসম্মতি জানানোর অধিকারও তার রয়েছে। নাগরিকদের জন্য বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের কিছু কার্যকর পথও খোলা আছে। কোথাও বাল্যবিবাহের আয়োজন চললে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ কিংবা জাতীয় হেল্পলাইন ১০৯ নম্বরে জানানো যায়। সন্তানের কল্যাণের পরিপন্থী সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার অভিভাবকদের নেই। আইন ভঙ্গের ক্ষেত্রে তাঁদেরও শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে, বিষয়টি তাঁদের জানা প্রয়োজন।
বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় এসব অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা এখনও সীমিত। অনেক সময় বিয়ের আয়োজন এতটাই গোপনে বা দ্রুত সম্পন্ন করা হয় যে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা খবর পাওয়ার আগেই অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যায়। অথচ যে মেয়ে জানে, নিজের অসম্মতি জানানোর অধিকার তার রয়েছে এবং প্রয়োজনে কার কাছে সাহায্য চাইতে হবে, সে নিজের সুরক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
ভারতের অভিজ্ঞতা থেকে কী শেখা যায়
ভারতের অভিজ্ঞতা দেখায়, আইনগত সংস্কারের সঙ্গে সামাজিক উদ্যোগ যুক্ত হলে বাল্যবিবাহ কমানো সম্ভব। দেশটিতে ২০০৬ সালের Prohibition of Child Marriage Act বাল্যবিবাহ বাতিলযোগ্য করার বিধানসহ প্রতিরোধব্যবস্থা ও শাস্তির কাঠামো শক্তিশালী করেছে। জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য জরিপ অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ১৮ বছরের আগে বিয়ের হার ২০০৫ থেকে ২০০৬ সালে প্রায় ৪৭ শতাংশ ছিল। ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের জরিপে তা কমে প্রায় ২৩ শতাংশে নেমে আসে। অর্থাৎ ১৫ বছরের মধ্যে হার প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।
আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে শর্তসাপেক্ষ আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ২০১৩ সালে শুরু হওয়া কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতায় মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া এবং ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে না করার শর্তে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। বিভিন্ন মূল্যায়নে প্রকল্পটির সঙ্গে শিক্ষায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও তুলনামূলক বেশি বয়সে বিয়ের ইতিবাচক সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে। পাশাপাশি, স্থানীয় সচেতনতামূলক প্রচার, কিশোর-কিশোরীদের ক্লাব এবং বাল্যবিবাহ পর্যবেক্ষণের উদ্যোগও সামাজিক চাপ তৈরি করেছে।
ভারতের অগ্রগতি অবশ্য সব রাজ্যে সমান নয়। কোনো দেশের অভিজ্ঞতা হুবহু অনুসরণ না করে নিজস্ব বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। তবে শিক্ষা ও আর্থিক প্রণোদনা, সামাজিক সচেতনতা এবং আইনের কার্যকর প্রয়োগকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব স্পষ্ট।
বাংলাদেশের এখন যে সংস্কার প্রয়োজন
সংস্কার শুরু হওয়া উচিত আইন থেকে। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর বিশেষ বিধানে আদালতের অনুমতি ও অভিভাবকের সম্মতিতে অপ্রাপ্তবয়স্কের বিয়ের যে সুযোগ রয়েছে, তা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। ন্যূনতম বয়সের সুস্পষ্ট সীমা ছাড়া ব্যতিক্রমের সুযোগ থাকলে আইন যে প্রথা বন্ধ করতে চায়, সেই প্রথাই বৈধতার সুযোগ পেতে পারে। বয়স যাচাইয়ের নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থাও জরুরি।
জন্মনিবন্ধন সর্বজনীন ও ডিজিটাল করার পাশাপাশি বিয়ের নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। কাজিদের লাইসেন্সের নিয়ম কঠোর করা, অপ্রাপ্তবয়স্কের বিয়ে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিলের বিধান কার্যকর করা এবং নিবন্ধন ফি প্রকাশ্যে জানিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে অনিয়ম ও আর্থিক লাভের সুযোগ কমানো সম্ভব।
কাগজে লেখা নিয়ম বাস্তবে কার্যকর করতে স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোগ প্রয়োজন। ইউনিয়ন পর্যায়ের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটিগুলোকে কার্যকর ক্ষমতা ও প্রয়োজনীয় বাজেট দিতে হবে, যাতে সম্ভাব্য বাল্যবিবাহের খবর পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। যেসব এলাকায় বাল্যবিবাহের হার বেশি, সেখানে মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া এবং ১৮ বছরের আগে বিয়ে না করার শর্তে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চালু করা যেতে পারে।
রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলের যেসব উপজেলায় বাল্যবিবাহের হার ৬০ শতাংশের বেশি, সেসব এলাকা দিয়ে কর্মসূচি শুরু করা যেতে পারে। তবে অঞ্চলভিত্তিক হালনাগাদ তথ্য যাচাই করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা প্রয়োজন। যেসব মেয়ের শিক্ষা বা কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই, তাদের জন্য নিরাপদ কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগও বাড়াতে হবে।
সামাজিক চাপ মোকাবিলার ব্যবস্থাও জরুরি। অনেক অভিভাবক মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থেকে অল্প বয়সে বিয়ে দেন। তাই রাস্তাঘাটে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে মেয়েদের হয়রানি প্রতিরোধকে বাল্যবিবাহ মোকাবিলার কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি ইমাম ও স্থানীয় নেতাদের প্রতিপক্ষ না ভেবে পরিবর্তনের সহযোগী হিসেবে যুক্ত করা প্রয়োজন। সমাজে যাঁদের কথার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তাঁদের সমর্থন সামাজিক রীতিনীতি বদলাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সম্মতি ও সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থ
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ১৯ ধারায় বিশেষ পরিস্থিতিতে আদালতের নির্দেশের পাশাপাশি অভিভাবকের সম্মতি অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আইনগত অভিভাবকের সম্মতির কথা বলা হয়েছে। তবে অপ্রাপ্তবয়স্কের স্বাধীন ও অবহিত সম্মতিকে পৃথক শর্ত হিসেবে ধারাটিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে শিশুর অধিকার সুরক্ষার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় সামনে আসে।
অভিভাবকের সম্মতি কি নিশ্চিত করে যে মেয়েটিও বিয়েতে রাজি? পারিবারিক চাপ, সামাজিক অসম্মানের ভয় কিংবা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দেওয়া সম্মতিকে কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে? কোনো মেয়ে বিয়েতে অসম্মতি জানালে তার মতামতকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত?
অভিভাবকের সম্মতি এবং শিশুর নিজস্ব ইচ্ছা দুটি পৃথক বিষয়। সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থ নির্ধারণের সময় তার বয়স ও পরিপক্বতা অনুযায়ী মতামত শোনা প্রয়োজন। চাপ বা ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে নিজের কথা বলার সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে। আদালতের মূল্যায়নে মেয়েটির নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং জোরপূর্বক বিয়ের ঝুঁকি যথাযথ গুরুত্ব পাওয়া উচিত।
সিলেটের অভিজ্ঞতা ও পরিবর্তনের সম্ভাবনা
সিলেটের অভিজ্ঞতা দেখায়, পরিবর্তন অসম্ভব নয়। অঞ্চলটির প্রতিটি উপজেলায় বাল্যবিবাহের হার ৪৩ শতাংশের নিচে। শিক্ষার সুযোগ ও নারীদের কর্মসংস্থানে সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এমন চিত্র ইঙ্গিত দেয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও প্রচলিত রীতিনীতির পরিবর্তন বাল্যবিবাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে সিলেটে তুলনামূলক কম হারের পেছনে কোন কোন কারণ কাজ করেছে, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ হলো, সিলেটের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এমন সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া স্বাভাবিক কিংবা সামাজিক প্রত্যাশিত আচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে না। এর জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট আইন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর প্রয়োগ, নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন নাগরিক এবং মেয়েদের সামনে বাস্তব বিকল্প তৈরি করা।
সামনে যে সিদ্ধান্ত
বাংলাদেশের সামনে এখন প্রশ্ন শুধু আইনে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর নির্ধারণ করা নয়, বরং সেই বয়সসীমাকে বাস্তব জীবনে কার্যকর সুরক্ষায় পরিণত করা। সিলেটের অভিজ্ঞতা সামাজিক পরিবর্তনের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়, যদিও সেখানে বাল্যবিবাহের হার তুলনামূলক কম হওয়ার কারণগুলো আরও অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার সামাজিক প্রত্যাশা বদলাতে হলে আইন ও তার প্রয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা নিশ্চিত করতে হবে। পরিবারকে বুঝতে হবে, মেয়ের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার অর্থ তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়া নয়; বরং তাকে নিজের জীবন গড়ে তোলার সুযোগ দেওয়া। এই পরিবর্তনগুলো না এলে ১৮ বছরের ন্যূনতম বয়স আইনের পাতায় লেখা একটি প্রতিশ্রুতি হয়েই থাকবে। বাস্তব সুরক্ষায় পরিণত হবে না কোনো শিশুর জীবনে।
